শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
মোঃ ইমরান হোসেন ইমু:
দুইবার দেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যানের স্বীকৃতি অর্জন করা শাহীন আহমেদ। কেরানীগঞ্জ উপজেলা থেকে তৃতীয়বার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে আংশ গ্রহন করেছেন। এখন কেরানীগঞ্জ বাসী শুধু তার জয়ের অপেক্ষায়। কেরানীগঞ্জ আওয়ামী লীগের তৃণমূলকে দীর্ঘদিন ধরেই এক ছাতার নিচে একত্রিত করে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। এমনকি পুরো কেরানীগঞ্জ জুড়েই বিভিন্ন সময়ে দলীয়, সামাজিক এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পোস্টার ব্যানারে শুধু শাহীন আহমেদকেই দেখা গেছে। আর তাই কেরানীগঞ্জের ব্যাপক উন্নয়ন ই তার আগামী নির্বাচনে মূল শক্তি। বিগত ১০ বছরে তিনি ঢাকা ৩ আসনের সংসদ সদস্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর নির্দেশনা মোতাবেক কেরানীগঞ্জের যে ব্যাপক পরিবর্তন করেছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। গেল ১০ বছরে কেরানীগঞ্জের যা উন্নয়ন হয়েছে এর আগে কখনো তা হয়নি। শাহীন আহমেদ কেরানীগঞ্জকে একটি মডেল শহর হিসাবে গড়ে তুলেছেন। বিশেষ করে শিক্ষা খাতে কেরানীগঞ্জে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়েছেন তিনি। এ কারনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে দুই দুইবার গ্রহন করেছেন শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান পদক।
নতুন ভোটাররা আলোর বার্তাকে জানান,শাহীন আহমেদ কেরানীগঞ্জের শিক্ষার ক্ষেত্রে বেপক ভুমিকা পালন করেছে শুধু তাই নয়। সব কাজে,সব জায়গায় তরুনদের প্রাধান্যদেন তিনি। বিশেষ করে তরুন দের খেলা ধুলার উপর ও তিনি জোর দিয়েছেন। আর তাই আমরা তরুনরা এক বাক্যেই শাহীন ভাইকে আবার উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চাই। আওয়ামীলীগ নেতারা বলেন, শাহীন আহমেদ কেরানীগঞ্জ আওয়ামলীগকে সংগঠিত করতে সেই সকাল থেকে রাত অব্দি ক্লান্তিহীন ভাবে কাজ করে গেছেন। বিপু ভাইয়ের নির্দেশনা মতো তিনি কেরানীগঞ্জ আওয়ামলীগকে একটি শক্তিশালী ও সংগঠতিত সংগঠনে পরিনিত করেছেন। বর্তমানে কেরানীগঞ্জের প্রতিটি পাড়া মহল্লায় আওয়ামলীগীর ঘাটিতে পরিনিত হয়েছে। তাই আমরা ও চাই শাহীন আহমেদ ফের উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হোক।
এবারের উপজেলা নির্বাচন ২০১৯ কে সামনে রেখে কেরানীগঞ্জের সাধারন জনতাকে প্রশ্ন করলে সবাই এক কথায়ই উত্তর দেন গত দুই বারের মত এবারও আমরা কেরানীগঞ্জ থেকে শাহীন ভাইকে কেরানিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চাই। কারন তিনি কেরানীগঞ্জের মানুষের জন্য অনেক করেছেন। তিনি কেরানীগঞ্জের রাস্তাঘাট সহ সব দিক থেকে কেরানীগঞ্জের উন্নয়ন করেছেন। তার কোনো তুলনা হয় না। সরজমীনে কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, সকল শ্রেনী পেশার মানুষ এক বাক্যই দাবী করে, কেরানীগঞ্জ থেকে আবারো শাহীন আহমেদকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত করা হোক।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, ২০০৯ সালের উপজেলা নির্বাচনে শাহীন আহমেদ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর বদলে যেতে থাকে কেরানীগঞ্জের মাঠের রাজনীতি। তৃণমূলের রাজনীতিতে পালে হাওয়া ফিরে পায় আওয়ামী লীগ। যে কারণে ২০১৩ ও ২০১৪ সালে ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে নাশকতা চলাকালে মাঠে দাঁড়াতে পারেনি জামায়াত সমর্থিত ওই জোটের কোন নেতাকর্মীরা। উপজেলা আওয়ামী লীগের দুর্দিনে হাল ধরা এই তরুণ নেতৃত্বই এখন হয়ে উঠেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের কাণ্ডারি।
প্রসঙ্গত, গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ২ আসন থেকে মনোনয়নের প্রত্যাশী ছিলেন শাহীন আহমেদ। তৃণমূলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষে চেয়ে ছিলেন ঢাকা-২ আসন থেকে যেন শাহীন আহমেদকে মনোনয়ন দেয়া হয়। তবে ঢাকা ২ আসন থেকে তিনি মনোনয়ন না পেলেও বিন্দু মাত্র বিচলিত হননি বা কোনো ভাবেই ভেঙে পরেননি তিনি। তবে হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত হাসিমুখে মেনে নিয়ে কেরানীগঞ্জ থেকে মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষেই কাজ করে গেছেন শাহীন আহমেদ। সকাল বিকাল পরিশ্রম করে বিপুল ভোটে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করেছেন। তাই কেরানীগঞ্জের আওয়ামীলীগ সহ সর্বস্তরের মানুষের একটাই চাওয়া আবারোও শাহীন আহমেদকে পুনারয় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত দেখতে চান।