শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
৩৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই ইয়াবা ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব ১০ মাদারীপুরের হত্যা মামলার আসামী আল আমিন (২৮) ঢাকার কেরাণীগঞ্জে র‌্যাব-১০ কর্তৃক গ্রেফতার। র‌্যাব-১০ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় দেশ জুড়ে নিন্দা ও ক্ষোভ ঢাকা জার্ণালিস্ট কাউন্সিলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ব্যবসার আড়ালে ভয়ংকর প্রতারণা। আলোর ছোঁয়া মানব কল্যাণ সোসাইটির উদ্যোগে কেরানীগঞ্জে গরিব-দুঃস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। আজ শিল্পী রাকা পপির শুভ জন্মদিন। কেরানীগঞ্জে সাবেক তাঁতী লীগের সভাপতি মোল্লা ফারুক বাহিনীর হাতে জীবন গেলো ব্যবসায়িক মোঃ জুবায়ের। ধর্ষণ মামলার আসামী সজীব (৩৫) র‌্যাব-১০ কর্তৃক ঢাকার কেরাণীগঞ্জে গ্রেফতার। পল্লবীর ‘লেডি ডন’: মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসে অভিযুক্ত যুব মহিলা লীগ নেত্রী।

বন্যায় লোকসানের মুখে হরিরামপুরের কলাচাষীরা

বন্যায় লোকসানের মুখে হরিরামপুরের কলাচাষীরা

আবিদ হাসান,হরিরামপুর,মানিকগঞ্জ

মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলায় বন্যায় কলাগাছের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দীর্ঘদিন পানিতে ডুবে থাকায় এবং গোড়া পঁচে যাওয়ার কারণে গাছ মরে যাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েছেন কলাচাষীরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় বাগান আকারে ১২ দশমিক ৪৫ হেক্টর জমিতে এবং বিক্ষিপ্ত ভাবে ১৮ দশমিক ৩৫ হেক্টর জমিতে কলাচাষ হয়েছিলো। যার মধ্যে ১০ দশমিক ৭৫ হেক্টর জমির কলাগাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সরেজমিনে কয়েকটি কলাবাগান ঘুরে দেখা যায়, বাগানের বেশিরভাগ কলাগাছই মরে দুমড়েমুচড়ে পড়ে আছে। গোড়ার অংশ পঁচে যাওয়ার কারণে অনেক গাছ ভেঙে হেলে পড়েছে। কয়েকটি বাগানের প্রায় সব কলাগাছ গোড়া পঁচে যাওয়ায় পানিতে ভেসে গেছে। এছাড়া, কয়েক বাগানের মাঝে মাঝে কিছু কলাগাছ দাড়িয়ে থাকলেও তা শুকিয়ে যাচ্ছে।

অাজিমনগর ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামের মো. নাসির উদ্দিন জানান, আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে তিনি এবারই প্রথম ৫২ শতাংশ জমিতে সবরি কলাচাষ করেছিলেন। বন্যায় কলাগাছের গোড়া পঁচে যাওয়ায় পানির স্রোতে বাগানের সব কলাগাছ ভেসে গেছে। এতে তার ১৫-১৭ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি।

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বাহিরচর গ্রামের কলাচাষী আজিমুদ্দিন জানান, তিনি এবছর ২ বিঘা জমিতে ৪টি কলাবাগান করেছিলেন। বন্যায় গাছের গোড়া পঁচে তার ৪টি বাগানের প্রায় সব কলাগাছ মরে গেছে। এতে তার প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির কোন আর্থিক পরিমাণ জানাতে পারেনি উপজেলা কৃষি অফিস। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল গফফার জানান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্তদের বীজ প্রদান বা যেকোনো সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত © সংবাদ সবসময় - ২০২৩
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Marshal Host